হ্যাপি বনিক: ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম বৃহস্পতিবার- আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি’২৫ ।প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও বাংলাদেশ।
টস্ জিতে বাংলাদেশ প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।
বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে শুরুর দিক থেকেই ব্যর্থ হয় । প্রায় বলাই চলে ভারতীয় দলের বোলারদের দাপট চলেছে শামি – অক্ষরদের। চাপে রীতিমত বিপর্যস্ত অবস্থা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার।
ভারত যখনই চাপ দিতে শুরু করে, বাংলাদেশের অধিনায়ক শান্ত এবং সৌম্য সরকার ‘শূন্য’ রানে ফিরে যায়।অন্যদিকে, ওপেনার তানজিদ হাসান মাত্র ২৫ রান করে ড্রেসিং রুমে ফিরে যায়। মাত্র ৩৫ বলে ৫ উইকেটে তুলে নেয় ভারতীয় বোলাররা।
তারমধ্যে মাঝের দিকে ব্যাট হাতে স্বস্তি দেয় তৌহিদ হৃদয় ,শত রান করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেয় ৬টি চার ও ২টি ছয় মেরে। ১১৮ বলে ১০০ রান করে ।
এর পরেই ভারত তার তুরুপের তাশ হর্ষিত রানাকে ব্যবহার করে উইকেট তুলিয়ে নেয়,অধিনায়ক রোহিত শর্মা ।
ভারতের দুরন্ত বোলিং এ ৪৯.৪ ওভারে ২২৮ রানে বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দেয় গৌতম গম্ভীরের ছেলেরা ।
ভারতের হয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন মহম্মদ শামি , ৩টি উইকেট নিয়েছে হর্ষিত রানা এবং ২টি উইকেট পেয়েছে অক্ষর প্যাটেল।
অপরদিকে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাটিং করতে দেখা যায় ভারতীয় দলকে ।
রোহিত ও শুভমান গিল, দুজন মিলে দ্রুত গতিতে রান তুলতে গেলে ৪১ রানে রোহিত শর্মা নিজের উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশের হাতে ।
কিছু সময়ের মধ্যেই ২০ ওভারে শত রানের গণ্ডি পেরিয়ে ফেলে ভারতীয় দল।ভারতীয় দলের বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার ও অক্ষর পটেল। সে রকম ভাবে রান না পাওয়ায়, গৌতম গম্ভীরের চিন্তার ভাঁজ পড়ে।
হঠাৎ-ই গিলের ব্যাট অদ্ভূত ভাবে জ্বলে ওঠে, নিজের রানের গতি বাড়িয়ে শত রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায়।
১২৫ বলে কেরিয়ারের অষ্টম ওয়ান’ডে সেঞ্চুরি হাঁকায় শুভমন গিল ।
দুরন্ত জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযান শুরু করল ভারতীয় দল।এতে সমর্থক দেরযে উচ্ছাস, স্টেডিয়ামের গ্যালারীর দিকে তাকালেই বোঝা যায়।
খেলার পরে বাংলাদেশী সমর্থকদের মানসিকতা অনেকটা ভেঙে গেছে।বেশ কয়েক মাস ধরে বাংলা দেশের ভারতের বিরুদ্ধে বিষোদগারের,উচিত শিক্ষা হয়েছে বলে মনে করছে অনেকে।


