খাগড়াগড় বিস্ফোরণের আগে বর্ধমানের শিমুলিয়ার মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিল নুর। সেখানেই তারিকুলের সঙ্গে আলাপ। এরপরই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল নুর। বিশ্বস্ত নুরের মাধ্যমেই জাল বিস্তারের প্রক্রিয়া চালাচ্ছিল তারিকুল। অর্থ অবং অস্ত্র সংগ্রহের দায়িত্বে মুর্শিদাবাদের আব্বাস এবং মীনারুল। টার্গেট তরুণ প্রজন্ম এবং মেধাবি মাথা। যাদের দাওয়াতের লোভে সদস্যপদ দেওয়া হতো এবিটির।
এই জেলা থেকেই একের পর এক ভুয়ো পাসপোর্টকাণ্ডে গ্রেফতারির সংখ্যাও বাড়ছে। উত্তর ২৪ পরগনা থেকেই গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন পুলিসকর্মী আবদুল হাইকে। তবে কি প্রশাসনের মধ্যে বসেই দিদার আলিদের বাংলায় ঢোকার রাস্তা সুনিশ্চিত করছেন কর্তারা? প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা


