দুর্গাপুজো ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা চন্দননগর পুলিশের। সোমবার সন্ধ্যায় চুঁচুড়া থানায় আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে ডিসিপি চন্দননগর অলকানন্দা ভাওয়াল একথা জানান। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসিপি চন্দননগর সোমনাথ ব্যানার্জী, এসিপি ডিডি সুমন চ্যাটার্জী, চন্দননগর থানার আইসি শুভেন্দু ব্যানার্জী, চুঁচুড়ার আইসি রামেশ্বর ওঝা, ভদ্রেশ্বর থানার আইসি আশীষ দলুই, চুঁচুড়ার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মান্দাতা সাউ সহ পুলিশের আধিকারিকরা। ডিসিপি বলেন, জেলা সদর চুঁচুড়ায় দূর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের সমাগম হয়। এই এলাকায় একাধিক বড় বড় পুজো হয়ে থাকে। এ বছর চুঁচুড়ায় অনেক বারোয়ারির জুবিলী রয়েছে। ফলে এবছর মানুষের সমাগম আরও বাড়বে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এ বছর পুলিশি ব্যবস্থা আরও আটো সাটো করা হচ্ছে। ভিড় এলাকা গুলোয় সিসি টিভির নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। একাধিক ড্রোন ব্যবহার করা হবে। ইতিমধ্যেই ট্রাফিকের তরফে নাকা চেকিং চালু করা হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় যাতে কেউ গাড়ি না চালায় সেদিকে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি উইনার্স টিম, গ্রীন পুলিশ, পিঙ্ক মোবাইল মহিলা পুলিশের টিম টহল দেবে। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য সাদা পোশাকেও মোতায়েন থাকবে পুলিশ। শহরের বেশ কিছু রাস্তায় প্রতি বছরই ভিড় উপচে পড়ে তাই পুজোর কটা দিন কিছুটা সময়ের জন্য সেসব রাস্তায় নো এন্ট্রি করা হবে। যানবাহন চলাচলে যাতে অসুবিধা না হয় তার জন্য গাড়িগুলোকে অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। চুঁচুড়ার পাশাপাশি শ্রীরামপুরেও বড় বড় দূর্গাপুজো হয়ে থাকে। তাই পুজোর কদিন শ্রীরামপুরেও থাকছে বাড়তি নিরাপত্তা।
গত বছরের মত এবছরেও শ্রীরামপুরে হবে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। ডিসি শ্রীরামপুর অর্ণব বিশ্বাস এদিন কার্নিভালের রুট পরিদর্শন করেন।


