সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই ধরনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এদিন ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁরা ট্রাইবুনালে অ্যাপলাই করতে পারবেন। এই যে জায়গাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আজকে সর্বোচ্চ আদালত খুলে দিয়েছে। এটা মানুষের জয় বলে আমি মনে করি। এটা নিয়ে আমার পিটিশন আছে। ওঁরা বলেছেন, নির্বাচন ঘোষণার পরেও যদি নাম বাদ যায় তাহলে আমাদের কাছে আসবেন। স্পেশাল কেস হিসেবে ট্রিট করা হবে। ১৫-১৬ তারিখে নির্বাচন ঘোষণা করে দিলেও খেলা শেষ হবে না। খেলাটা সুপ্রিম কোর্টের হাতে রয়ে গেল। আমরা দেখব।
৬০ লক্ষ লোকের লজিস্টিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি করেছে, নাম বাদ দিয়েছে এগুলো সব বিজেপির কথায়। কারণ বিজেপি দেড় কোটি সংখ্যাটা বলেছিল। তাদের স্যাটিসফাই করতে গিয়ে রোজ রোজ মেসেজ চেঞ্জ। অ্যাপ চেঞ্জ। মিস ইউজ অফ হোয়াটসঅ্যাপ। জাজেদের মিস লিড করছিলেন, আমায় আইনজীবীরা বললেন, ইলেকশন কমিশন এমন করে রেখে দিয়েছে আমরা বাংলার কেসটা স্পেশালি দেখব। LET US SEE, LET US WAIT FOR THE JUSTICE.
সোমবার কালীঘাট মন্দিরে পুজো মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। মঙ্গলবার পুজো দেন দক্ষিণেশ্বর এবং বেলুড় মঠে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের পুজো দেওয়া প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা দেখলাম মা কালী আমাদের সাথ দিলেন। কেউ কেউ ফস্কে গেলেন। আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হলেন। মা-ও কিন্তু ভালোবাসে মানবিকতা মনুষ্যত্ব একসাথে চলা, বাস করা”


