বঙ্গ বিজেপির পরিচিত মুখ দিলীপ ঘোষ এখন দলের ভিতরে আগের মতো গুরুত্ব পাচ্ছেন না বলে শোনা যাচ্ছে। অনেক দিন ধরেই তাঁর সঙ্গে নেতৃত্বের দূরত্ব বাড়ছিল। এর মধ্যেই দিলীপ এমন মন্তব্য করেছেন, যা তাঁর ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন জল্পনা তৈরি করেছে। তিনি বলেছেন, তিনি কখনওই ভোটের লড়াইকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে ভাবেননি এবং রাজনীতি কেউ সারাজীবন করে না। ছাব্বিশের নির্বাচনে তিনি কী করবেন—এই প্রশ্নে তাঁর সহজ উত্তর, “কেউ সারাজীবন রাজনীতি করে না।”
বাংলায় বিজেপির শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষের অবদান উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ২০১৮ সালের লোকসভা ভোটে দলের সাফল্যে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু দলে নতুন প্রভাবশালী নেতারা যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর অবস্থান কিছুটা বদলে যায়। নব্য ও পুরনো নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়, এবং সেখানেই দিলীপকে ধীরে ধীরে কোণঠাসা হতে দেখা যায়। তিনি মাঝেমধ্যে নিজের অভিমানও প্রকাশ করেছেন। শমীক ভট্টাচার্য সভাপতি হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন পরিস্থিতি পাল্টাবে, কিন্তু তেমন পরিবর্তন হয়নি। তবে বিজয়া সম্মিলনীতে এবং মুরলীধর সেন লেনের দফতরে তাঁর সাম্প্রতিক উপস্থিতি আবার তাঁকে ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।


