বিহারের পূর্ব চম্পারণ জেলার মোটিহারিতে ধর্মীয় ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হল। ভিরাট রামায়ণ মন্দির চত্বরে স্থাপন করা হল বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ। প্রায় ৩৩ ফুট উচ্চতার এই বিশালাকার অখণ্ড শিবলিঙ্গ ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশের ভক্তদের নজর কেড়েছে। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, শঙ্খধ্বনি ও ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
একটিমাত্র কালো গ্রানাইট পাথর কেটে তৈরি এই শিবলিঙ্গের ওজন প্রায় ২১০ টন। দীর্ঘ সময় ধরে দক্ষ শিল্পীদের হাতে নিখুঁত কারুকাজে গড়ে ওঠা এই শিবলিঙ্গকে ঘিরে ভক্তদের আবেগ ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থাপনের সময় আকাশপথে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়, যা মুহূর্তটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।

ভিরাট রামায়ণ মন্দির প্রকল্পটি নিজেই এক বিশাল পরিকল্পনা। শতাধিক একর জমির উপর নির্মীয়মাণ এই মন্দির কমপ্লেক্স ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার পথে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, এই শিবলিঙ্গ কেবল ধর্মীয় আস্থার প্রতীক নয়, বরং ভারতীয় শিল্প ও সংস্কৃতির শক্তিশালী নিদর্শন।
শিবলিঙ্গ স্থাপনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তদের ঢল নামে মোটিহারিতে। স্থানীয় অর্থনীতি ও ধর্মীয় পর্যটনের ক্ষেত্রেও এই ঘটনা বড়সড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্পূর্ণ মন্দির নির্মাণ শেষ হলে ভিরাট রামায়ণ মন্দির এবং এই বিশ্ববৃহত্তম শিবলিঙ্গ বিহারের গর্ব হয়ে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে জায়গা করে নেবে—এমনটাই বিশ্বাস ভক্ত ও আয়োজকদের।


