সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে এবার বাংলার ট্যাবলোতে তুলে ধরা হয়েছে রাজ্যের গৌরবময় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। ট্যাবলোয় দেখা গিয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দ, বিনয়-বাদল-দীনেশ এবং মাতঙ্গিনী হাজরার মতো বিপ্লবী ও স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। বাংলাকে স্বাধীন করার পথে বাঙালির আত্মত্যাগ ও রক্তদানের কথাই ছিল এই ট্যাবলোয়ের মূল বার্তা।
তবে কর্তব্যপথে বাংলার ট্যাবলো অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে এবারও কম জটিলতা হয়নি। নানা টানাপোড়েনের পর শেষ পর্যন্ত ১৭টি রাজ্যের মধ্যে বাংলার ট্যাবলো সম্মানের সঙ্গে কুচকাওয়াজে জায়গা করে নেয়।
এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘বঙ্কিমদা’ বলে সম্বোধন করা নিয়ে। শাসক শিবিরের অভিযোগ, বারবার বাংলার মনীষী ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান করা হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি।
এই পরিস্থিতিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথে বাংলার ট্যাবলো শুধু একটি প্রদর্শনী নয়, বরং বাংলার ইতিহাসও পরিচয়ের এক স্পষ্ট বার্তা হিসেবেই উঠে এল।


