মহাশিবরাত্রির পুণ্যক্ষণে রাজ্যজুড়ে যখন ভোর থেকে শিবভক্তদের ঢল, ঠিক তখনই রাজনৈতিক আবহের মধ্যেও শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি শুধু উৎসবের কথা বলেননি, তুলে ধরেছেন রাজ্যের বিভিন্ন শিবমন্দিরে হওয়া উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ানও।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাংলার সংস্কৃতি কখনও বিভাজনের রাজনীতি মানে না। বরং এখানে ধর্মীয় সহাবস্থানই চিরাচরিত ঐতিহ্য। সেই ধারাকেই শক্তিশালী করতে রাজ্য সরকার একের পর এক মন্দির সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ করেছে। জল্পেশ থেকে তারকেশ্বর, বক্রেশ্বর থেকে কালনা— একাধিক ঐতিহাসিক শিবক্ষেত্রে সংস্কার, আলোকসজ্জা ও পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
শুধু সংস্কার নয়, উত্তরবঙ্গে ‘মহাকাল মহাতীর্থ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বিশ্বের উচ্চতম শিবমূর্তি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই শিলান্যাস সম্পন্ন হয়েছে।
বিধানসভা ভোটের আগে যখন রাজনৈতিক মেরুকরণের অভিযোগ উঠছে, তখন মহাশিবরাত্রির দিনে সম্প্রীতির বার্তা রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, উন্নয়ন ও ঐক্যের পথেই এগোবে বাংলা, বিভেদের পথে নয়।


