২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন অনেক আগেই দেখেছিলেন রিঙ্কু মজুমদার। দলের প্রতি দীর্ঘদিনের আনুগত্য, সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা—সব মিলিয়ে তাঁর প্রত্যাশা ছিল এবার ভোটের ময়দানে সুযোগ পাবেন। সেই লক্ষ্যেই বিজেপির রাজ্য সদর দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন নিজের জীবনপঞ্জি। কিন্তু দুই দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরও তাঁর নাম না থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন তিনি।
রিঙ্কু মজুমদারের অভিযোগ, শুরু থেকেই তাঁকে টিকিট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিশেষ করে সুনীল বনশাল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি আঙুল তুলে তিনি বলেন, কথায় আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “ইচ্ছে থাকলে এতক্ষণে প্রার্থী বদল হত। তাহলে এতদিন ধরে কার জন্য কাজ করলাম?”
এতেই থেমে থাকেননি তিনি। দলের প্রার্থী নির্বাচন নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। রাজারহাট-নিউটাউন এবং বীজপুরের ঘোষিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনে তিনি দাবি করেন, এই বিষয়টি আগেই নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন। তবুও কেন সেই প্রার্থীদেরই বেছে নেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এই ঘটনায় স্পষ্ট, বিজেপির অন্দরে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে অসন্তোষ এখন প্রকাশ্যে। একনিষ্ঠ কর্মীর ক্ষোভে দলের অন্দরমহলের চাপা দ্বন্দ্ব যেন আরও প্রকট হয়ে উঠল।


