রণদীপ হুডা ও লিন লাইশরামের বিয়ে নিয়ে ফের চর্চা। তবে এবার অন্যভাবে। মণিপুরে মেইতেই রীতিতে বিয়ে করতে গিয়ে ঠিক কতটা ‘ভিন্ন’ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল, তা নিজেই জানালেন অভিনেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি পোস্ট করে রণদীপ জানিয়েছেন, “এটা ছিল পাঁচ তারকা নাটক!”
রণদীপ জানান, বিয়ের দিন তিনি ‘দেবতা’ হিসাবে পুজো মণ্ডপে বসেছিলেন। সেই কারণে একটানা দুই ঘণ্টা মাটিতে বসে থাকতে হয়েছিল তাঁকে, নড়াচড়া বা মাথা নিচু করা নিষেধ ছিল। শুধু তাই নয়, এমন পরিস্থিতির কথা ভেবে তাঁকে একটি পাত্রও দেওয়া হয়েছিল যাতে মাঝপথে প্রস্রাবের প্রয়োজন হলে সেটি ব্যবহার করতে পারেন!
রণদীপ লেখেন, “আমি জানতাম এটা ভিন্ন রকম কিছু হতে চলেছে। তবে মেইতেই রীতি অনুসরণ করা আমার জন্য সম্মানের।”
এই বিয়েতে বর-কনের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পরিবারের ঘনিষ্ঠজনেরা। তবে বিয়ের সময়ই মণিপুরে চলছিল অস্থির পরিস্থিতি। রণদীপ লিখেছেন, “বিয়ের সময় আশেপাশে AK‑47 গুলির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। সেই সুরের মধ্যেই চলল মন্ত্রপাঠ আর সংস্কৃতির আবহ।”
তবে এসব সত্ত্বেও, এই বিয়ে রণদীপের কাছে শুধুমাত্র এক আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক একাত্মতার প্রতীক। তিনি বলেন, “ওর সংস্কৃতিকে সম্মান জানাতেই আমি নিজেকে এই নিয়মের মধ্যে নিয়ে গিয়েছিলাম।”


