আলোর রোশনাই আর উচ্ছ্বাসে সেজে উঠেছে শহর। আজ মহালয়া—পিতৃপক্ষের অবসান, দেবীপক্ষের সূচনা। আর এই শুভক্ষণেই চেতলা অগ্রণী ক্লাবের পুজো মণ্ডপে দেবীর চক্ষুদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর তুলির আঁচড়ে মৃন্ময়ী মা হয়ে উঠলেন চিন্ময়ী।
শুধু চেতলাই নয়, সেলিমপুর পল্লি, বাবুবাগান, বান্ধব সম্মিলনী, যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লি সহ শহরের একাধিক পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভারচুয়াল মাধ্যমে জেলার বহু দুর্গাপুজোর উদ্বোধনও করেন তিনি। প্রতিটি মঞ্চেই ছিল মানুষের ঢল।
যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লীর মঞ্চ থেকে ফের একবার বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষায় সরব হন মমতা। নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন,
“বাংলায় কথা বললেই অত্যাচার করা হয়, বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের শ্রমিকদের পুশব্যাক করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাংলা ভাষার অসম্মান কেউ করতে পারবে না। অস্মিতা রক্ষা আমাদের প্রতিজ্ঞা।”
তাঁর কথায়, বাংলায় হিন্দিভাষীরা থাকেন, তাঁদের উপর তো কোনও অত্যাচার হয় না। সব ভাষাকেই সম্মান করা হয়, কিন্তু মাতৃভাষাকে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, নেতাজি থেকে শুরু করে বাংলার প্রতিটি কৃতি সন্তানকে শ্রদ্ধা জানানোর আর্জি জানান তিনি।
অর্থনীতি নিয়েও এদিন কড়া সুরে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, জিএসটির আসল কৃতিত্ব রাজ্যের, কেন্দ্রের নয়। এমনকি বিমায় জিএসটি তুলে দেওয়ার দাবিতে কেন্দ্রকে প্রথম তিনি-ই চিঠি পাঠিয়েছিলেন, সে কথাও মনে করিয়ে দেন মমতা।


