রবিবার আচমকাই চমকে গেল বান্দ্রা। আমির খানের বাসভবনে একসাথে পৌঁছে গেলেন ২৫ জন আইপিএস অফিসার! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশ ভ্যান এবং একটি বাসে করে একঝাঁক আধিকারিক ঢুকছেন অভিনেতার বাড়িতে। সঙ্গে সঙ্গে নেটপাড়ায় শুরু হয়ে যায় তীব্র জল্পনা—ঠিক কী এমন ঘটল যে ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’-এর বাড়িতে হানা দিতে হল পুলিশের?
এখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে কোনও স্পষ্ট বিবৃতি মেলেনি। আমির খানের পরিবারের পক্ষ থেকেও কিছু জানানো হয়নি। ফলে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
তবে পুরনো একটি ঘটনার সূত্র ধরে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। কিছুদিন আগেই কর্ণাটকে কর ফাঁকির অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন আমির খান এবং অমিতাভ বচ্চন। অভিযোগ ছিল, তাঁদের নামে রেজিস্টার হওয়া বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়িগুলি দীর্ঘদিন ধরে কর ফাঁকি দিয়ে রাস্তায় চলছে।
জানা গিয়েছে, এই গাড়িগুলি বর্তমানে কর্ণাটকের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক ইউসুফ শরিফের ব্যবহারে। তিনি নাকি এখনও পর্যন্ত গাড়িগুলি নিজের নামে রেজিস্টার করেননি। ফলে নথিতে মালিকানা হিসেবে রয়ে গিয়েছে আমির এবং অমিতাভের নাম। নিয়ম অনুযায়ী গাড়ির প্রাক্তন মালিকদের নামেই ট্যাক্স সংক্রান্ত তথ্য থেকে যাবার ফলে, তদন্তের পরিধিতে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও।
তবে এই ঘটনার সঙ্গে রবিবারের পুলিশি অভিযান সরাসরি যুক্ত কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেকের মতে, এটি কর ফাঁকি সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হতে পারে। আবার কারও মতে, এটি সম্পূর্ণ অন্য কোনও মামলার বিষয়।
তবে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনই কোনও মন্তব্য না আসায়, রহস্য আরও বাড়ছে। আপাতত গোটা ইন্ডাস্ট্রি, মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়া নজর রেখে চলেছে—আমির খানের বাড়ির দরজায় হঠাৎ হাজির হওয়া এই বিশাল পুলিশ বাহিনীর নেপথ্যে আদতে রয়েছে কী?
3


