নৈহাটির বড়মার দরজায় অভিষেক — ভক্তি, আলো আর জনসংযোগে ভরপুর দিন

Spread the love

কালীপুজোর আলো নিভে গিয়েছে আগের রাতেই, কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে নৈহাটির বাতাসে এখনও ধূপের গন্ধ, মন্ত্রোচ্চারণ আর ভক্তির সুর। সেই পরিবেশেই হাজির তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দিরে পা রাখতেই চারদিকের ভিড় যেন আরও জমে ওঠে—কেউ প্রণাম করছে, কেউ মোবাইল ক্যামেরা তোলে।

প্রথমে মন্দিরে গিয়ে মায়ের সামনে বসে ধ্যানমগ্ন অভিষেক, তারপর পাশের মণ্ডপে বড়মার মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি সারেন নিজে হাতে। জনতার চোখে তখন রাজনীতিক নয়, এক ভক্ত অভিষেক। তবু জনসংযোগের ছোঁয়া রয়েই গেল—কখনও হাত নাড়লেন, কখনও রাস্তার ধারে দাঁড়ানো শিশুদের মাথায় হাত রাখলেন।

সঙ্গে ছিলেন বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা। কালীপুজোর আগের দিনও তাঁকে দেখা গিয়েছে লেক কালীবাড়িতে—রাজ্যবাসীর সুস্থতা কামনা করে পুজো দিচ্ছেন, প্রার্থনায় মগ্ন। তারপর সোজা কালীঘাটে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পুজোয় যোগ দিতে।

আসলে দুর্গাপুজো হোক বা কালীপুজো, এই উৎসবের মরশুমে অভিষেকের প্রতিটি উপস্থিতি যেন রাজনীতির বাইরে এক আলাদা বার্তা দেয়—‘ভক্তির সঙ্গে জনগণের সংযোগ’। আগেও দেখা গিয়েছে, কখনও পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে বসে ফুচকা খাওয়া, কখনও তাঁদের হাতে উপহার তুলে দেওয়া।

নৈহাটির বড়মা মন্দিরের সঙ্গেও তাঁর সেই সম্পর্ক নতুন নয়। ২০২৩ সালে মন্দিরটি নতুনভাবে উদ্বোধনের সময়ও এসেছিলেন। এবার ফের এলেন—মায়ের সামনে প্রণাম, ভক্তদের সঙ্গে দেখা, আর তার মধ্যেই এক নীরব বার্তা—“বিশ্বাস আর মানুষের সংযোগ, এটাই আসল শক্তি”।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *