চলন্ত বাস। আর তাতেই শ্লীলতাহানির অভিযোগে।এই ঘটনায় চাঞ্চল্য জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। অভিযুক্তকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে হয়ে উত্তেজিত জনতা। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে বুধবার দুপুরে। ধূপগুড়ি পুর বাস টার্মিনাস এলাকার ঘটনা।
সূত্রের খবর, ময়নাগুড়ি থেকে এক যুবতি ধূপগুড়ি গাদং এ মামা বাড়ি যাচ্ছিলেন। তার জন্য তিনি বাসে চড়ে ছিলেন ঠিক সেই বাসেই সফর করছিলেন ৬০ বছর বয়সী মণি ভূষণ দাস। অভিযুক্ত রানিরহাট মোড় এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ চলন্ত বাসের মধ্যে ওই ব্যক্তি যুবতীর গায়ে হাত দেন। দীর্ঘক্ষণ যুবতীকে বাসে উত্যক্ত করতে থাকেন। বাসে ভিড় থাকার সুযোগ নেন। জানা গিয়েছে, সেই সময় কিছু বলতে পারেননি অভিযোগকারী যুবতী। বাসটি ধূপগুড়ি টার্মিনাসে এসে পৌছলে যুবতীর সেই ব্যক্তিকে ধরার জন্য তার পিছু ধাওয়া করে। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি তার কথায় কর্ণপাত না করে, লুকানোর জন্য সোজা শৌচালয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। আধ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে শৌচালয়ে বসে থাকেন তিনি।
এদিকে যুবতী ওই ব্যক্তিকে ধরার উদ্দেশ্যে শৌচালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে থাকেন। তাকে কাঁদতে দেখে আশেপাশের লোকেরা জানতে চান কী হয়েছে। তখন যুবতী গোটা ঘটনা খুলে বলেন। এরপরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে শৌচালয় থেকে বের করে শুরু করে উত্তম মধ্যম মার। খবর দেওয়া হয় ধূপগুড়ি থানার পুলিশকে।
খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় থানায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে সূত্রের খবর।


