ষষ্ঠীর সকালে নানুরের হাটসেরান্দি গ্রামে নিজের শতাব্দী প্রাচীন পুজোয় শামিল হলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। সঙ্গে ছিলেন মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলও। দেবী প্রতিমার গয়না পরানোর কাজ নিজে হাতে দেখলেন কেষ্ট। মেয়ের আবদারে প্রতিমার সামনে সেলফিও তুললেন তিনি।
বোলপুরের নানুর থানার অন্তর্গত হাটসেরান্দি গ্রামে মণ্ডল পরিবারের এই পুজো বহুদিন ধরেই ‘অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের বাড়ির পুজো’ নামে পরিচিত। প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই দুর্গোৎসবকে ঘিরে প্রতিবছর জমায়েত হয় বিপুল ভিড়। স্থানীয় গ্রামবাসী, রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে অনুব্রত সমর্থক—সবাই অপেক্ষায় থাকেন এই চারদিনের উৎসবের জন্য।
গত কয়েক বছর জেলবন্দি থাকার কারণে তিনি পুজোয় অংশ নিতে পারেননি। তবে এবারও আগের মতো গ্রামের বাড়িতে এসে সকলে সঙ্গে সময় কাটান কেষ্ট। পুজোর নানা আয়োজন খতিয়ে দেখেন তিনি। খাওয়া-দাওয়া ও অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থাও পরিদর্শন করেন।
নিজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনুব্রত বলেন,
“ছোটবেলায় রাস্তাঘাট মাটির ছিল। বৃষ্টি পড়লেই পিছলে পড়তাম, জামাকাপড় ভিজে যেত। কাঁদতাম। কিন্তু তাতেও আলাদা আনন্দ ছিল। আমাদের দাদুরা পাঁচ ভাই ছিলেন। তার মধ্যে দু’জনের কোনও সন্তান ছিল না। এই পুজো অন্তত ১৪০–১৫০ বছরের পুরনো। তবে আমাদের আসল পুজো নানুরের বঙ্গছত্রে।”
তিনি আরও বলেন,
“আমি চাই মা দুর্গা যেন পুরো বীরভূম জেলার মানুষকে সুস্থ রাখেন, ভালো রাখেন। প্রতি বছরের মতো চারদিন ভক্তিভরে পুজো দেব।”


