আজ অমিতাভ বচ্চন ৮৩ বছরে পা রাখলেন। এই দিনে শুধুই জন্মদিন নয়, বরং আমাদের স্মৃতির পাতায় সেই ‘শাহেনশাহ’কে স্মরণ করার দিন, যিনি আমাদের হাসিয়েছেন, রোলিয়েছেন, কাঁদিয়েছেন এবং আমাদের জীবনের নানা অনুভূতিকে সিনেমার মাধ্যমে স্পর্শ করেছেন।
১৯৭০-এর দশকে, তরুণ বচ্চন ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’ হিসেবে আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিলেন। জঞ্জীর, দেবার, শোলায়—প্রতিটি সিনেমায় তার অভিনয় ছিল সত্যিকারের আবেগ ও যন্ত্রণার মেলবন্ধন। শুধু অভিনেতা নয়, তিনি ছিলেন আমাদের অনুভূতির ভোক্তা, প্রতিটি চরিত্রে জীবনের রঙ ও ব্যথা তুলে ধরতেন।
বছর ঘরে ঘরে, আমাদের স্মৃতির পাতায় তিনি রচনা করেছেন অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র মাধ্যমে এক নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছেন, যেখানে তার গম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং সংলাপ আমাদের মধ্যে প্রেরণা জাগিয়েছে।
তাঁর জীবন কেবল চলচ্চিত্র বা জনপ্রিয়তার গল্প নয়। কঠিন সময়ের মধ্যেও তিনি আমাদের শিখিয়েছেন দৃঢ়তা, আত্মসম্মান এবং মানবতার গুরুত্ব। ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় আজ তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কিন্তু সত্যিকারের উপহার হলো সেই নীরব প্রভাব, যা তিনি প্রতিটি সিনেমা ও কাজের মাধ্যমে আমাদের জীবনে রেখেছেন।
৮৩ বছরে পা রাখলেও অমিতাভ বচ্চনের আত্মার দীপ্তি অম্লান। তিনি শুধুই এক অভিনেতা নয়—তিনি আমাদের স্মৃতির, আবেগের এবং অনুপ্রেরণার শাহেনশাহ। আজ আমরা শুধু জন্মদিন উদযাপন করছি না, আমরা উদযাপন করছি একটি জীবনের যাত্রা, যা সকলের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।


