পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ফের তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ভেঙে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও একাধিক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার ধাক্কা খেয়েছে এবং এবার মুখ্যমন্ত্রী গণতন্ত্রের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকার নৈতিক অধিকারই হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে উঠে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে এখন নীতি-নৈতিকতা, সংবিধান কিংবা আদালতের কোনও মূল্য নেই। রাজ্যের শাসনব্যবস্থায় সর্বত্রই পতনের ছবি স্পষ্ট বলেই তাঁর অভিযোগ। তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়া বা নথি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা নজিরবিহীন এবং এমন ঘটনা গোটা পৃথিবীতে বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে আদালতই একমাত্র It’s বলে দাবি করে তিনি জানান, সেই কারণেই ইডি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।
শুধু তাই নয়, তৃণমূলের শাসনে রাজ্যের অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে সুষ্ঠু নির্বাচন করাও সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারবে না, বিরোধীরা প্রচার করতে পারবে না, এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক সভা করতে গেলেও আদালতের অনুমতির প্রয়োজন পড়ছে—এটাই প্রমাণ করে রাজ্যে গণতন্ত্র কোথায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপি নেতা।
সবশেষে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই ২০২৬ সালে এই সরকারের পরিবর্তন হবে। মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সঙ্গে থাকা আধিকারিকরা সরকারি পদে থেকে যে আচরণ করেছেন, তা তাঁদের শোভা দেয় না বলেই মন্তব্য করেন তিনি।


