দলবদলু নেতাদের মঞ্চে বসানোয় জনসভায় ভিড় কমেছে— সরাসরি অভিযোগ দিলীপ ঘোষের। ২০২৬-এ সাফল্যের সম্ভাবনা নিয়েও হতাশ প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় তাঁর আমন্ত্রণ ছিল না। অথচ মঞ্চে জায়গা পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং, তাপস রায়দের মতো তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতারা। আর সেই নিয়েই প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
দিলীপের অভিযোগ, “এই সব দলবদলু নেতারা মঞ্চ আলো করে বসে থাকাতেই প্রধানমন্ত্রীর দমদমের জনসভা কার্যত ফাঁকা ছিল। সব মিলিয়ে হাজার পাঁচেক লোক এসেছিল। যা ভাবাই যায় না!”
প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমন্ত্রণ না পেয়ে শুক্রবার বেঙ্গালুরুতে রবিশংকরের আশ্রমে গিয়েছিলেন দিলীপ। সেখান থেকে ফিরে রবিবার ফের সরব হয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে কারা ছিলেন? ভালো করে দেখবেন, সবকটা দলবদলু। শুভেন্দু অধিকারী, তাপস রায়, অর্জুন সিং, সজল ঘোষ… এঁরা বিজেপি? এঁদের দেখে মানুষ বিজেপি করতে আসবেন? এঁদের বিরুদ্ধেই তো বিজেপি লড়াই করেছিল। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কার্যত ফাঁকা থেকেছে।”
তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সভায় এত কম লোক! আমরা মিছিল-মিটিং করলেও এর থেকে বেশি লোক হয়। দর্শকস্থলে দেখলাম, সবাই গল্প করছে, সেই জোশটাই নেই।”
২০২৬-এর সম্ভাবনা নিয়ে হতাশ দিলীপ স্পষ্ট জানালেন, “খুব খারাপ, খুব খারাপ। লড়াইটা হতে চলেছে ২০২১-এর আসন ধরে রাখার লড়াই। সেটাও এখন দূর অস্ত মনে হচ্ছে।”
তবে ব্যস্ততা ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্পের কথাও জানাতে ভোলেননি তিনি। বেঙ্গালুরু থেকে ফেরার পর বলেন, “রবিশংকরজি আমাকে বলেছেন, ছোড়না নহি, লড়তে রহো।”


