নিজস্ব সংবাদদাতা: কংগ্রেস নেত্রী হোন বা বিরোধী দলনেত্রী, অথবা মুখ্যমন্ত্রী। মমতা কিন্তু মমতাই। রাস্তা কোনওদিন তাঁকে ছাড়েনি, তিনিও ছাড়েননি। সেই ছবি আবার দেখল বাংলা। শুধু বাংলা বলা ভুল, সারা দেশ। জাতীয় ইস্যু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন খবর করতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন খবর হতে। অনেকেই বলছেন, রাজ্যে বিজেপি শীর্ষ নেতা এলেন বৈঠক করলেন, কিন্তু আলো পেলেন না। এমনকি তৃণমূলের নম্বর টু, তিনিও আজ প্রচার করলেন কিন্তু সম্প্রচারিত হলেন না। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠরা বলেন, মমতা যাঁর সঙ্গে জড়িয়ে, তাঁর কিছু হলে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন। আর আইপ্যাক তো তৃণমূলের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। তাই বৃহস্পতিবার ঝাঁপালেন তৃণমূল নেত্রী। লাউডন স্ট্রিট থেকে সেক্টর ফাইভ, দাপট দেখল শহর কলকাতা। এই দাপট দেখা গিয়েছে আগেও। ২০১৯, রাজীব কুমারের জন্য ধরনা দিয়েছেন মমতা। ২০২১, নিজাম প্যালেসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রতিবাদে কাটিয়ে দিয়েছেন মমতা। এই মমতা এবার সরব আইপ্যাক নিয়ে। বিরোধী দলনেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যাঁরা দেখেছেন, তাঁদের অনেকেই বলছেন, ৩৪ বছরের সরকার ফেলার ক্ষমতা রাখেন যিনি, তিনি এই বিজেপিকে বিরোধী হিসেবে মানেন না। মমতার লড়াই জনগণের সঙ্গে এবং জনতার একাংশের বিরুদ্ধে, বিজেপি বা অন্য কোনও দলের বিরুদ্ধে নয়। মমতা জানেন, আজও পক্ষের আলোচনায় এবং বিপক্ষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে কীভাবে টিকে থাকা যায়। কীভাবে কলকাতার রাজপথে ঝড় তোলা যায়। কীভাবে ভোটের মুখে ইস্যু তৈরি করা যায়। কীভাবে কয়লার কালি বিরোধী দলকে মাখিয়ে দেওয়া যায়। কীভাবে বুক চিতিয়ে মমতা হওয়া যায়।


