শীতের মরশুমে পর্যটকে ঠাসা দার্জিলিং। আর ঠিক তখনই শহরের নামী রেস্তরাঁ গ্লেনারিসের বার ও লাইভ মিউজিক তিন মাসের জন্য বন্ধ করে দিল এক্সাইজ দফতর। প্রশাসন সূত্রে খবর, ‘বেঙ্গল এক্সাইজ রুল’ লঙ্ঘনের অভিযোগেই এই ব্যবস্থা। ফলে ক্রিসমাস–নববর্ষের আগে পর্যটন দুনিয়ায় পড়ল বড় ধাক্কা।
মঙ্গলবার ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডেপুটি কালেক্টর সরণ্য বারিক জানান, নিয়মভঙ্গের জেরে বার তিন মাসের জন্য বন্ধ রাখা হবে। ১৮৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্লেনারিসের ইতিহাসে প্রথমবার এমন নির্দেশ জারি হল। গ্লেনারিসের তিনটি বিভাগ—বার, বেকারি ও রেস্তরাঁ। আপাতত নিষেধাজ্ঞা শুধু বার ও মিউজিক বিভাগে।
তবে সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বলে দাবি করলেন গ্লেনারিসের কর্ণধার অজয় এডওয়ার্ড। তাঁর অভিযোগ, লাইভ মিউজিকের কাগজ এক বছর ধরে ঝুলে আছে। দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার অনুমতিপত্র সিভিল সার্ভিস বিভাগে না পাঠানোয় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এডওয়ার্ডের আশঙ্কা, এই মরশুমে অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হবে।
গ্লেনারিসের ম্যানেজার অশোক তামাং জানান, নির্দেশ বেরোনোর পর থেকেই ক্রিসমাস–নববর্ষের বুকিং বাতিল হচ্ছে। দৈনিক মিউজিকের আটজন শিল্পীর কাজ বন্ধ। ২৫০ কর্মচারী ও অতিরিক্ত মৌসুমি ৫০ জন—সবাই অনিশ্চয়তায়।


