নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এনেছিল ‘অপরাজিতা বিল’। এই বিলে বলা হয়েছিল, শিশু বা মহিলাকে ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে রাজ্যের বিধানসভায় এই বিল পাশও হয়ে যায়। এরপর রাজ্যপালের সইয়ের জন্য বিলটি পাঠানো হয় রাজভবনে।কিন্তু রাজ্যপাল সেই বিলে সই না করে সেটিকে ফেরত পাঠিয়েছেন। তাঁর মতে, এই বিল অনেক বেশি ‘কঠোর’ এবং কিছু ধারা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাই তিনি তা মেনে নিতে পারেননি।এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। তাঁদের দাবি, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিল আনা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন এমন কঠোর আইন, যাতে অপরাধীরা ভয় পায়। কিন্তু রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তে সেই পথে বাধা তৈরি হয়েছে।ফলে প্রশ্ন উঠছে, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যখন নারীদের সুরক্ষায় এত কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছেন, তখন কেন্দ্র বা রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান কেন তাতে সায় দিচ্ছেন না? এই বিতর্ক এখন রাজ্য রাজনীতির বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।
নারী সুরক্ষা বিল ফেরালেন রাজ্যপাল, প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রের অবস্থান


