ভারতের আত্মিক শক্তি ও সামাজিক ঐক্য নিয়েই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে— এমনই মন্তব্য করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, যতদিন ধর্ম ভারতের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে, ততদিন ভারত বিশ্বগুরুর মর্যাদা হারাবে না। তাঁর কথায়, ভারতের কাছে এমন এক আধ্যাত্মিক জ্ঞানভান্ডার রয়েছে, যা কেবল ধর্মীয় নয়, মানবসভ্যতার জন্যও দিশা দেখাতে সক্ষম এবং বিশ্বের আর কোথাও যার তুলনা নেই।
সমাজে ক্রমবর্ধমান বিভাজন ও জাতিভেদের প্রসঙ্গে মোহন ভাগবত বলেন, ভেদাভেদ দূর করতে হলে প্রথমে মানুষের মন থেকে জাতির ধারণা মুছে ফেলতে হবে। শুধু আইন বা বাহ্যিক ব্যবস্থায় নয়, মানসিক পরিবর্তনের মাধ্যমেই প্রকৃত সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মত তাঁর।
আরএসএসের ভূমিকা ও লক্ষ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, সংঘের উদ্দেশ্য কারও সঙ্গে প্রতিযোগিতা বা সংঘাতে জড়ানো নয়। বরং ব্যক্তির চরিত্র গঠনের মধ্য দিয়েই একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ জাতি নির্মাণ করাই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। তাঁর মতে, চরিত্রবান নাগরিকরাই দেশের প্রকৃত শক্তি এবং তারাই ভারতকে সর্বোচ্চ বৈভবে পৌঁছে দিতে পারেন।
ধর্ম, সংস্কৃতি ও জাতিগত বিভাজন নিয়ে মোহন ভাগবতের এই বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনা শুরু করেছে। ভারতের ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে এই বার্তাকে কীভাবে দেখছেন সাধারণ মানুষ, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।


