মিনি-নিলাম সাধারণত বড় করে দল গড়ার জায়গা নয়। বেশিরভাগ দল এই নিলাম ব্যবহার করে দলে থাকা ছোটখাটো ঘাটতি মেটাতে। কিন্তু এ বার কেকেআরের কাছে ছবিটা ছিল একটু আলাদা। গত মেগা নিলামে দল যেমনটা চেয়েছিল, তেমনভাবে গুছিয়ে উঠতে পারেনি নাইটরা। তার উপর গত মরশুমে ব্যর্থতার পর কয়েকজন ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিতে হয়। ফলে এ বারের মিনি-নিলাম কেকেআরের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এই নিলামে তিনটি লক্ষ্য নিয়ে নামে কেকেআর। এক, আন্দ্রে রাসেলের জায়গায় একজন বিশ্বমানের অলরাউন্ডার খোঁজা। দুই, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য ভালো মানের একজন পেসার নেওয়া। তিন, একজন ভরসাযোগ্য উইকেটকিপার-ব্যাটার দলে আনা। পাশাপাশি বেঞ্চের শক্তি বাড়ানোও ছিল লক্ষ্য।
সবচেয়ে বড় নজর ছিল অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের দিকে। ব্যাট হাতে তিনি যেমন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন, তেমনই দরকারে বল হাতেও অবদান রাখতে পারেন। বয়স কম হওয়ায় ভবিষ্যতের দিক থেকেও তিনি কেকেআরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন।
নিলামের শুরু থেকেই গ্রিনকে পেতে ঝাঁপায় কেকেআর। কিছুক্ষণ রাজস্থান রয়্যালস লড়াই করলেও পরে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত ২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় ক্যামেরন গ্রিনকে দলে নেয় কেকেআর। নিলাম শেষে সামান্য কিছু বাদ দিলে বেশিরভাগ সিদ্ধান্তেই সফল নাইটরা, আর সেই কারণেই হাসিমুখেই নিলাম টেবিল ছাড়ে কলকাতা।


