ব্রিগেডে পাঁচ লক্ষ মানুষের গীতাপাঠের পর থেকেই রাজ্যে রাজনৈতিক আবহে বাড়ছে চাপানউতোর। অনুষ্ঠানের সময় এক খাবার বিক্রেতাকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, এবার অন্য পথে রাজনৈতিক বার্তা দিতে উদ্যোগী হল কংগ্রেস।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ঘোষণা করেন, আগামী ২০ ডিসেম্বর দুপুর ১টায় রানি রাসমণি রোডে অনুষ্ঠিত হবে বৃহত্তর নাগরিক কর্মসূচি—‘সহস্র কণ্ঠে সংবিধান পাঠ’। তাঁর বক্তব্য, এই কর্মসূচির সূচনা হবে ‘বন্দে মাতরম’ গেয়ে। তারপর সম্মিলিতভাবে পাঠ করা হবে ভারতের সংবিধানের মূল অংশগুলি, যাতে নাগরিক সমাজকে বহুত্ববাদ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়।
শুভঙ্কর বলেন, দেশে ভাষা, খাদ্য, ধর্ম ও পোশাক-সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে যে বিভাজনমূলক রাজনীতির আবহ তৈরি হচ্ছে, তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রশক্তির প্রশ্রয়ে আম্বেদকর রচিত সংবিধানের মৌলিক চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আরএসএস-সহ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি মনুবাদী ভাবধারাকে এগিয়ে দিচ্ছে।
রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই কংগ্রেসের এই নতুন উদ্যোগ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সুর এনে দেবে কি না, তা নিয়েই এখন জল্পনা কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে।


