নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত? দীর্ঘ ১৭ বছর পর মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরন। মঙ্গলবার দুপুরে নবান্নে দু’জনের মধ্যে গোপনীয় বৈঠক ঘিরে চাঞ্চল্য রাজনৈতিক ও শিল্প মহলে। পাশে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থও।
বৈঠক ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে—সিঙ্গুর পর্ব পেরিয়ে টাটা গোষ্ঠী কি বাংলায় আবার লগ্নি করতে চায়? সরকারি সূত্রে মিলছে ইঙ্গিত, শিল্প, পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তি খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে চন্দ্রশেখরণকে দেওয়া হয়েছে সৌজন্য উপহারও।
বিষয়টা শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয় বলেই মনে করছে মহল। হাওড়া, মেদিনীপুর বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো এলাকাগুলিতে ভবিষ্যতের বড় প্রকল্পে আগ্রহ দেখাতে পারে টাটা। এ রাজ্যে জমির প্রাপ্যতা, শিল্পবান্ধব পরিকাঠামো এবং প্রশাসনিক সহায়তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে সবুজ সঙ্কেত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠক শুধু অতীত ভুলে সামনে এগোনোর বার্তা নয়, বরং ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে নতুন কর্মসংস্থান ও শিল্প প্রসারের রূপরেখাও হতে পারে।
নবান্নে টাটা কর্তার আগমন—এই বার্তা স্পষ্ট, বাংলাকে ঘিরে বড় কিছু ভাবনা রয়েছে দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠীর। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা, ঘোষণা কবে!


