মানিকচকে নদী ভাঙন

Spread the love

ফের ভয়াবহ নদী ভাঙন মালদহের মানিককে। ভোররাতে ভয়াবহ ভাঙনের কবলে মথুরাপুরের শংকরটোলা ঘাট এলাকা। ফুলহার নদীর গ্রাসে নদীপাড়ের অন্তত দেড়শো (২০০) মিটার এলাকা। ভাঙনে নদীগর্ভে একাধিক বাড়ি, চার চাকার গাড়ি, ট্রাক্টর, মোটরবাইক, মোটর ভ্যান। আতঙ্কে বাড়িঘর, দোকানপাট ভেঙে নিয়ে পালাচ্ছেন মানুষজন। এলাকায় নদীবাঁধ এবং দোকানপাট ও বাড়িঘরের থেকে ফুলহার নদীর দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিটার। কোথাও পাকা নির্মাণের কার্যত গা ছুঁয়ে বইছে ফুলহার নদী। তড়িঘড়ি এলাকায় বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা শুরু করেছে সেচদপ্তর। এরপরেও ভাঙন আদৌও রোখা যাবে কীনা সংশয়ে স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাত তিনটে নাগাদ আচমকা ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয় এলাকায়। সেইসময় মানুষজন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। হঠাৎই নদীর তান্ডবলীলা টের পেয়ে মৎস্যজীবীরা নদীপাড়ের বাসিন্দাদের ঘুম থেকে তোলেন। প্রাণভয়ে জিনিসপত্র ফেলে রেখে ঘর ছেড়ে পালানো শুরু করেন বিপন্ন মানুষজন। সকাল থেকে একদিকে এলাকায় নদী পাড়ে বালির বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে সেচ দপ্তর। অন্যদিকে শেষ সম্বলটুকু বাঁচাতে যা কিছু টিকে রয়েছে তাই ভেঙেচুড়ে নিয়ে যাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজন।

এলাকায় খুব কাছেই রয়েছে আরও একাধিক দোকানপাট ও বাড়িঘর। এরপরেও ভাঙন হলে পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, মথুরাপুরের কাছেই জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের পানীয় জল প্রকল্প তৈরি হচ্ছে। এলাহাবাদ তীব্রতা বাড়ার কারণ হতে পারে ওই প্রকল্প। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *