বিরোধিতার মাঝেই সৌজন্য, হুগলিতে মিঠুন চক্রবর্তীকে প্রশংসায় ভরালেন রচনা

Spread the love

হুগলিতে আলাদা আলাদা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই লোকসভা এলাকায় দুই শিবিরের কর্মসূচি হলেও একে অপরকে আক্রমণের পাশাপাশি পারস্পরিক সৌজন্য ও প্রশংসার ছবিই ধরা পড়ল। বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর হুগলিতে সভার খবর পেয়ে তৃণমূল সাংসদ রচনার মন্তব্য, মিঠুনের প্রতি তাঁর আলাদা সম্মান রয়েছে—এই কথাই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচারের সময় হুগলিতে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে নেমেছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে হুগলিতে সভা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেই সভা থেকে তিনি স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে তৃণমূল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করলেও রচনাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেননি। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও এই সংযম তখনই নজর কাড়ে।
এবার ফের হুগলিতেই আলাদা কর্মসূচিতে অংশ নেন মিঠুন ও রচনা। দু’জনেই নিজেদের বক্তব্যে একে অপরের দলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তবু ব্যক্তিগত স্তরে সৌজন্য বজায় রেখে একে অপরের কাজ ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেন। রচনার বক্তব্যে মিঠুনকে ‘মহাগুরু’ বলে সম্মান জানানোর পাশাপাশি তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবন ও জনপ্রিয়তার কথাও উঠে আসে। অন্যদিকে মিঠুনও রচনার প্রতি সৌজন্য দেখিয়ে তাঁর সাংসদ হিসেবে কাজের প্রশংসা করেন।
রাজনীতির ময়দানে তীব্র লড়াইয়ের মাঝেও এই পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্যের দৃশ্য হুগলির রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *