আলিপুরদুয়ার ২ নম্বর ব্লকের কয়াখাতা গ্রামের এক উনিশ বছরের যুবতীকে গলাটিপে মুখে চাপা দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল তার কাকা এবং কাকিমা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযুক্ত শংকর সূত্রধর এবং তার স্ত্রী বিরুদ্ধে শামুকতলা থানায় অভিযোগের দায়ের করে শংকর সূত্রধরের ভাই মধু সূত্রধর। ঘটনার তদন্ত করতে ওই এলাকায় যায় পুলিশ এমনটাই জানা গেছে এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ। শংকর সূত্রধরের দাদা শৈলেশ সূত্রধর যুবতীকে পালিত কন্যা হিসেবে পালন করছেন দীর্ঘদিন ধরেই। শৈলেশ বাবু সহ তার স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাদের পালিত কন্যা কে শংকর যুবতীর দায়িত্ব নেয়। ইতিমধ্যেই যুবতীর নামে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে তাদের হেফাজতে নয় টাকা। বেশ কিছুদিন যাবত তার উপর নির্যাতন চলছিল। কলেজ পড়ুয়া ঐ যুবতী একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষিকার কাজ করে নিজের হাত খরচ চালাতেন। গত রবিবার রাতে তার শ্বাসরোধ করে মুখে কাপড় চাপা দিয়ে তাকে মারার চেষ্টা করে তার কাকা এবং কাকিমা। যুবতীর চিৎকারে পাড়া-প্রতিবেশী এক গৃহবধু গিয়ে তার জীবন রক্ষা করে। রাতেই তাকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। জেলা হাসপাতালে তাকে রেখেই গা ঢাকা দেয় কাকা কাকিমা। মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ এলাকায় গিয়ে দেখা গেল তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে শংকর সূত্রধরের বাড়ি। শঙ্করের দাদা মধু সূত্রধর পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করতে গেলে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে শংকর সূত্রধরের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। রীতিমতো গ্রামবাসীরা একজন হয়ে স্লোগান দেন অবিলম্বে শংকর সূত্রধর কে গ্রেফতার করতে হবে । তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


