প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই সামরিক বাহিনীতে বড়সড় রদবদলের উদ্যোগ নিলেন তারেক রহমান। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি ও নতুন নিয়োগ করা হয়েছে। তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সেনাপ্রধান পদে বহাল থাকলেন ওয়াকার-উজ-জামান।
ওয়াকার-উজ-জামান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র আত্মীয় হিসেবে পরিচিত। তাই সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, নতুন সরকার সেনাপ্রধান পদেও পরিবর্তন আনবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনায় ইতি টানা হয়েছে।
সরকারি সূত্রের দাবি, সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কার ও দক্ষতা বৃদ্ধির দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করাই এখন অগ্রাধিকার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপে একদিকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা হল, অন্যদিকে নতুন সরকারের অবস্থানও স্পষ্ট হল। এখন নজর থাকবে, এই রদবদল ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কী প্রভাব ফেলে।


