রাজ্যজুড়ে এসআইআর শুনানির দ্বিতীয় দফা শুরু হতেই নানা অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই আবহেই দলীয় স্তরে নতুন পদক্ষেপের কথা জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার রাজ্যের প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার বিএলএ-২-এর সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে প্রতিটি এসআইআর শুনানি কেন্দ্রের কাছেই তৃণমূলের সহায়তা শিবির থাকবে।
শনিবার দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই একাধিক জায়গায় বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে আসে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে ভোটারদের শুনানিতে ডাকার কথা না থাকলেও বহু অশীতিপর ও নবতিপর মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। কলকাতার চেতলা গার্লস স্কুলে ঠান্ডার মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায় প্রবীণদের। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়ায়।
পশ্চিম মেদিনীপুরে হাসপাতালে ভর্তি এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকেও শুনানির লাইনে দাঁড়াতে দেখা যাওয়ায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের দাবি, এসআইআর শুনানির নামে রাজ্যবাসীর উপর অযথা চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। দলীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, প্রশাসনিক বিভ্রান্তি ও সমন্বয়ের অভাবে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সহায়তা শিবিরে প্রয়োজনীয় তথ্য, দিকনির্দেশ ও প্রাথমিক সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও নথিপত্র সংক্রান্ত সমস্যায় থাকা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। দলীয় সূত্রের দাবি, মানুষের ভোগান্তি কমাতেই এই পদক্ষেপ। এর আগে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ‘মে আই হেল্প ইউ’ ক্যাম্প করে সাধারণ মানুষের নথি সংক্রান্ত সমস্যা মেটানো হয়েছিল। এসআইআর শুনানি ঘিরে নতুন এই সহায়তা শিবির রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করা হচ্ছে।
এসআইআর শুনানি নিয়ে তৃণমূলের নতুন কৌশল, কেন্দ্রের পাশেই বসছে সহায়তা শিবির


