নেতাজি থাকলে তি তাঁকেও শুনানিতে ডাকা হত? নেতাজি স্মরণে প্রশ্ন মমতার’

Spread the love

 

রেডরোডে নেতাজির স্লোগান থেকে মমতা হুংকার। কমিশন এবং বিজেপিকে নিশানা

আমরা লক্ষ রাখছি ভারতের ইতিহাসকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মনিষীদের অপমান করা হচ্ছে। গান্ধিজি হোক, নেতাজি হোক, রবীন্দ্রনাথ হোক, বিনয় বাদল দিনেশ হোক, বিদ্যাসাগর হোক, ক্ষুদিরাম প্রফুল্লচাকী হোক। একটা অসম্মান একটা অসহিষ্ণুতা। অকৃতজ্ঞতাসুলভ আচরণ। তাঁদের প্রতি আচরণ। ভাষার প্রতি অসম্মান। বাংলা কি সেটা মেনে নেবে। সাধারণ মানুষ এ অসম্মানের বিরুদ্ধে জোট বাঁধবেন। তৈরি হবেন। আরেকবার সুভাষজির যে স্বপ্ন ছিল দেশ স্বাধীন করার জন্য, দিল্লি এখন চক্রান্তনগরী। বাংলার বিরুদ্ধে সারাক্ষণ চক্রান্ত। তার বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ, ঐক্যবদ্ধ হব। সম্প্রীতি রক্ষা করব। নেতাজি প্ল্যানিং কমিশন তৈরি করেছিল সেটা তুলে দিয়েছে। ন্যাশনাল ইন্ডিয়ান আর্মি তৈরি করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বোস। দেশ স্বাধীনতার স্বপ্ন নিয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তোমরা রক্ত দাও, আমি দেব স্বাধীনতা। জীবন না দিলে জীবন পাওয়া যায় না। তিনি বলেছিলেন, ত্যাগ এবং উপলব্ধি, একটা কয়েনের এপিঠ আর ওপিঠ। ১৬ আনা দিয়ে দেশকে ভালোবেসেছিলেন। আজও সুভাষের জন্মদিন জাতীয় ছুটি নয়। আজও জানতে পারলাম না, যিনি বেরিয়ে গেলেন দেশ থেকে ফিরে এলেন না। জন্মদিন পালন করলেও মৃত্যুদিন জানতে পারলাম না। তাঁর উপলব্ধি দিয়ে যেন পথ চলতে সাহায্য করেন। স্বাধীনতার স্বপ্ন নেতাজি গান্ধিজি রবীন্দ্রনাথ নজরুল আম্বেদকরদ দেখেছিলেন। আজ তাঁদের স্ব্পন ভেঙে টুকরো টুকরো। নিজেদের ইতিহাস চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যার সঙ্গে দেশের কোনও সম্পর্ক নেই। আম্বেদকরের সংবিধানকে আমরা মানি। সেই সংবিধানকে লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। অধিকার করা হচ্ছে। গণতন্ত্রকে লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

নেতাজি বেঁচে থাকলেও কি তাঁদের শুনানিতে ডাকা হত। নাকি লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যানসিতে ডাকা হত।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *