বাঘ মানুষকে ধরে খেয়ে ফেলে। তবে মানুষ ও যে ভাগ ধরতে পারে ।সেটা জিনাতকে ধরার পর বুঝিয়ে দিল মনে কর্মীরা।

Spread the love

সোহম গোস্বামী:অবশেষে খাঁচা বন্দী হলো বাঘিনী জিনাত। উড়িষ্যার সিমলিপাল ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে এই বাঘ পুরুলিয়া হয়ে বাঁকুড়ায় এসে পৌঁছেছিল। তবে গতকাল থেকে বনদপ্তরের যুদ্ধকালীন তৎপরতারপর অবশেষ খাঁচা বন্দী হলো বাঘিনী জিনাত। গতকাল রাত্রি থেকে বাঘিনীকে লক্ষ করে ,বনদপ্তরের পক্ষ থেকে একাধিকবার ঘুমপাড়ানি গুলি ছোঁড়া হয়েছিল । তবে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট ভ্রষ্ট হয়েছিল প্রতি বারই ।এর পরে বনদপ্তর বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। আজ রবিবার বিকেল চারটে নাগাদ ঘুমপাড়ানি গুলি আবারও ছোঁড়া হয়। ওবার আর লক্ষ্য ভ্রষ্ট হয়নি।এর পর বনদপ্তর ও উড়িষ্যা সিমলিপাল থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা সুকৌশলে ঘুমন্ত বাঘিনীকে খাঁচা বন্দি করতে সক্ষম হয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ,গত দুদিন আগে ওই বাঘিনী বনদপ্তরের পাতা জাল ভেদ করে বার বার বেরিয়ে গেছিল। তবে বনদপ্তর সেই অভিজ্ঞতাকে সাথে নিয়ে বাঁকুড়ার রানিবাঁধের গোসাইডিহি গ্রাম পার্শ্ববর্তী জঙ্গলকে লাইলনের জাল দিয়ে ত্রিস্তরীয় ভাবে ঘিরে ফেলে।রবিবার সকাল থেকেই জঙ্গলে বনদপ্তরের ঘেরা জাল ধীরে ধীরে সংকীর্ণ করতে থাকে। ফলে বাঘিনী জিনাতের জঙ্গলের মধ্যে ঘোরার জায়গা ক্রমশ ছোট হতে থাকে। জঙ্গলের ভেতরে বনদপ্তরের বিশেষ গাড়ি গতকাল রাত থেকেই প্রবেশ করে ,জিনাতের উপর কড়া নজরদারি রেখেছিল। এর পরেই আজ বাঘিনীকি লক্ষ করে ঘুমপাড়ানি গুলি ছোড়া হলে, তা তাতেই বাঘিনী কাত হয়ে যায় , খানিকক্ষণ এর মধ্যেই ঘুমের কোলে ঢলে পড়ে। শেষ হয় বাঘ বন্দী খেলা।

। বন দপ্তরের নিয়ে আসা বিশেষ গাড়িতে করে বাঘিনী কে বাঁকুড়ার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে চলে যায় বনদপ্তরের আধিকারিকরা। কয়েকদিনের টানটান উত্তেজনা এবং গ্রামের যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল সেটা আস্তে আস্তে স্তিমিত হয়।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *