ভবানীপুরে তাঁর প্রথম কর্মিসভা। প্রথম কর্মিসভা থেকে বিজেপিকে একের পর এক নিশানা করেছেন তৃণমূলনেত্রী। গতবার লড়েছিলেন নন্দীগ্রামে। হেরেছিলেন তাঁরই এক সময়ের ছায়াসঙ্গী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে। তৃণমূল অভিযোগ তুলেছিল, লোডশেডিং করিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জিতেছেন নন্দীগ্রামে। এবার সেই সুরই শোনা গেল ভবানীপুরে। তাও তৃণমূল নেত্রীর গলায়। রবিবার চেতনায় কর্মিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোট হয়ে গেলে কেউ বাড়ি চলে যাবেন না। আমাদের এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে। লোডশেডিং করিয়ে দিতে পারে। স্ট্রংরুমে বিশেষ নজরদারি রাখতে হবে।”
এ দিন কর্মিসভায় ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আবার কর্মীদের লক্ষ্য সেট করে দেন। বলেন, ৬০ হাজার লিডে ভবানীপুরে জিততে হবে। ভোটের নিরিখে ভবানীপুর যেন কলকাতার মধ্যে নম্বর ওয়ান হয়। এর জন্য প্রয়োজনে চায়ের দোকানে থেকে মানুষকে বোঝাতে হবে। জনগণকে বলতে হবে বিজেপি ধর্মের রাজনীতি করে। রাজ্য সরকারের প্রকল্প নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে। একবার নয় প্রয়োজনে তিনবার একজনকে বোঝাতে হবে। ভবানীপুরে রেকর্ড ভোটে জেতাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, এবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরে দাঁড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।


