মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আগুন শুধু সীমান্তে আটকে নেই, তার আঁচ এসে পড়েছে জ্বালানির বাজারে। হরমুজ প্রণালীতে টানাপোড়েনের জেরে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে ভারতেও—পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস কি অচিরেই চাপে পড়বে?
এই বাড়তে থাকা আশঙ্কার মাঝেই পরিস্থিতি সামাল দিতে আশ্বাসের সুর কেন্দ্রের। জানানো হয়েছে, দেশে আপাতত ৬০ দিনের পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। অর্থাৎ হঠাৎ করে কোনও সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা এখনই নেই।
সরকারি মহলের দাবি, যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হতেই আগে থেকেই সতর্ক হয়েছিল দেশ। বিভিন্ন শোধনাগারে মজুত বাড়ানোর কাজ শুরু হয়, ফলে এই সঙ্কটের সময় কিছুটা স্বস্তি মিলছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, শুধু একটি বা দু’টি উৎসের উপর নির্ভর না করে ভারত এখন ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে তেল আমদানি করছে। ফলে হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হলেও সরবরাহ পুরোপুরি থেমে যাওয়ার আশঙ্কা কমেছে।
তবে পরিস্থিতি যে পুরো নিয়ন্ত্রণে, এমনটা বলছে না কেউই। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের পকেটে।
এই মুহূর্তে তাই বার্তা একটাই—আতঙ্ক নয়, সতর্কতা। পরিস্থিতি নজরে রাখছে কেন্দ্র, কিন্তু জ্বালানি নিয়ে এখনই হাহাকার করার সময় আসেনি।
যুদ্ধের ছায়া জ্বালানিতে, আতঙ্কে দেশ—তবু ৬০ দিনের ভরসা দেখাল কেন্দ্র


