একের পর এক সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগ। একের পর এক হত্যাকান্ড এবং ধর্ষণ খুনের অভিযোগ। সংখ্যালঘুদের মন্দির লুঠপাট থেকে শুরু করে বাংলাদেশ থেকে একের পর এক হাড়হিম করা কাণ্ড ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। এবার নানা সংবাদমাধ্যমে শোনা যাচ্ছে আরো এক ভয়ঙ্কর খবর। বাংলাদেশের সংবিধান থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হতে পারে ধর্মনিরপেক্ষতা কথাটি। তবে কি সংখ্যাগুরুদের পক্ষেই এবার কাজ করতে চলেছে, বাংলাদেশ সরকার? একাধিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, মুহম্মদ ইউনুস এমনই সুপারিশ-সহ একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনে। বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যমের দাবি, ধর্মনিরপেক্ষতা সহ মূলনীতি থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে তিনটি বিষয়। বাংলাদেশে বর্তমান সংবিধানে চারটি মূলনীতি রয়েছে। সমাজতন্ত্র জাতীয়তাবাদ গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে ধর্মনিরপেক্ষতায় বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। আর এবার কি সরাসরি সেই বিষয়টি সংবিধান থেকে তুলে দিতে চাইছে উপদেষ্টা সরকার? মূলত সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত পাঁচটি মূল নীতির মধ্যে রয়েছে সামাজিক সুবিচার বহুত্ববাদ গণতন্ত্র সাম্য এবং মানবিক মর্যাদা। সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে গণভোটের সুপারিশও করা হয়েছে বলে দাবি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের।
বাংলাদেশের সংবিধান থেকে বাদ পড়বে ধর্মনিরপেক্ষতা?


