পোড়া হাত-পা ক্ষতবিক্ষত। মালদার রতুয়ায় বোমা বিস্ফোরণে রক্তাক্ত দুই নাবালক। চাঁদমুনি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হলদিবাড়ি গ্রামে ভুট্টার জমিতে ঘাস কাটতে যেতেই অঘটন। বিকট শব্দ, বোমা বিস্ফোরণ বলেই দাবি স্থানীয়দের। কী কারণে মজুত হচ্ছে বোমা? বারবার বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্কে দূরে দাঁড়িয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। বাড়ি থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরেও নিরাপদ নয় প্রাণ? যেখানে সেখানে মজুত হচ্ছে বোমা? কেউ কিচ্ছু জানছে না? সন্তাসবাদের চাষ হচ্ছে ভুট্টা ক্ষেতে, উর্দিধারীরা কোথায়? প্রশাসন প্রশাসনের কাজ করছে, দাবি করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন।
গোয়েন্দা বিভাগ কোথায়? স্বভাবতই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। শুধু বিরোধীরা কেন, মালদায় কাউন্সিলর খুনে খোদ পুলিসমন্ত্রীই পুলিসের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছিলেন।
প্রকাশ্যে তৃণমূল কাউন্সিলর খুন। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস-বকাবকি। গ্রেফতারি তো অপরাধ দমনের সমাধান হতে পারে না। তদন্ত হচ্ছে কোথায়? আর কত রক্ত ঝরলে সক্রিয় হবে প্রশাসন? মালদা কাউন্সিলর খুনের পর মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী নিজেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে কি সত্যিই পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এবার ভাবা উচিত?


