সুশাসনের ভিতর দিয়েই যে বাংলার উন্নয়নের গল্প লেখা হয়েছে, তারই প্রতিফলন ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। মা–মাটি–মানুষের সরকারের গত ১৫ বছরে রূপায়িত একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প, সামাজিক সুরক্ষা ও পরিকাঠামো গঠনের ধারাবাহিক চিত্র উঠে এসেছে এই প্রকাশনায়। সেই উপলক্ষেই শুক্রবার বিশিষ্ট অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই সাক্ষাতে রঞ্জিত মল্লিকের হাতে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় পরিয়ে অভিনন্দন জানান অভিষেক। বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে রঞ্জিত মল্লিকের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগ থেকে আজকের সময় পর্যন্ত তাঁর অবিচ্ছিন্ন যাত্রা রাজ্যের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর হাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আড্ডা ও আলোচনার ফাঁকে উঠে আসে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের কথাও। পরিকাঠামো থেকে সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা থেকে সংস্কৃতি—সব ক্ষেত্রেই সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন অভিষেক। তাঁর কথায়, উন্নয়ন শুধুমাত্র রাস্তা বা সেতুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশও রাজ্যের অগ্রগতির অন্যতম শর্ত। সেই কারণেই শিল্পী সমাজের সঙ্গে এই ধরনের যোগাযোগ ভবিষ্যতেও জারি থাকবে বলে জানান তিনি।


