বিতর্ক যেন বরাবরই পিছু ছাড়ে না ব়্যাপার বাদশার। গানের কথা হোক বা দৃশ্যায়ন—একাধিকবার নিজের সৃষ্টির কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত গান ‘টাটিরি’।
অভিযোগ, ওই গানের মিউজিক ভিডিওতে নারীদের আপত্তিকর ও অসম্মানজনকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। শুধু দৃশ্যায়নই নয়, গানের কথাতেও রয়েছে যৌন ইঙ্গিত—এমনই অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দর্শক ও শ্রোতা। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে হরিয়ানা মহিলা কমিশন। ইতিমধ্যেই ব়্যাপারকে তলব করেছে কমিশন।
মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেনু ভাটিয়ার বক্তব্য, “এই ধরনের গান সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।” তাঁর মতে, জনপ্রিয় শিল্পীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।
চলতি মাসের ১ মার্চ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ‘টাটিরি’ গানটি প্রকাশ করেন বাদশা। প্রথমদিকে অনুরাগীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও, কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। মিউজিক ভিডিওর শুরুতেই স্কুল পোশাক পরা ছাত্রীদের নাচতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং চটুল গানের কথাই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে বলে অভিযোগ।
শুধু কমিশনের নোটিসই নয়, এই ঘটনায় আইনি জটিলতাও বাড়তে পারে ব়্যাপারের। জানা গিয়েছে, হরিয়ানার পঞ্চকুলার সেক্টর ২০-র সাইবার ক্রাইম শাখায় বাদশার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন অভয় চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ, গানটিতে নারীদের অশ্লীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং স্কুলের পোশাকে পড়ুয়াদের এমন নাচ বর্তমান প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দিতে পারে।
এই মামলার শুনানি আগামী ১৬ মার্চ। এরই মধ্যে বিতর্কের জেরে ইউটিউব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘টাটিরি’ গানের মিউজিক ভিডিও।
উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলার লোকশিল্পী রতন কাহারের জনপ্রিয় গান ‘বড়লোকের বেটি লো’ রিমেক করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বাদশা। এবার ফের নতুন গান ঘিরে আইনি ঝামেলায় পড়তে হল তাঁকে।


