২০০২ সালের ভোটার তালিকা ডিজিটালাইজেশনে অসম্পূর্ণতার কারণে বহু বুথে অনলাইনে তথ্য মিলছে না। তবে সিইও দপ্তর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—ডিজিটাল তালিকায় নাম না থাকলেও হার্ড কপিতে নাম পাওয়া গেলে কোনও বৈধ ভোটারকে অযথা শুনানিতে ডাকা যাবে না। ইআরও-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজন হলে রাজনৈতিক দলগুলির সহায়তায়ও বুথভিত্তিক ২০০২ সালের হার্ড কপি সংগ্রহ করে যাচাই করতে হবে।
একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরদিন মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ, ভুয়ো এবং নন-রিফান্ডেবল আবেদনকারীদের আলাদা তালিকা প্রকাশ করা হবে। এতে স্পষ্ট বোঝা যাবে কোন কোন নাম বাদ পড়তে চলেছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ৪ ডিসেম্বর রাত ১২টার মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ‘অসংগৃহীত’ হিসেবে গণ্য করা হবে। খসড়া তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে তাঁদের ৯ ডিসেম্বরের পর ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ফের নতুন ভোটার হিসেবে নাম তুলতে হবে।


