কয়লা পাচার সংক্রান্ত পুরনো মামলায় তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আইপ্যাক সংক্রান্ত তল্লাশির সময় ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের ভূমিকা বিচারযোগ্য বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
ইডির অভিযোগ, ৮ জানুয়ারি তল্লাশি চলাকালীন তদন্তকারী আধিকারিকদের আইনসম্মত কাজ ব্যাহত হয় এবং কিছু নথি সংস্থার হেফাজত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই শীর্ষ আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে—একটি সংস্থাগতভাবে এবং অন্যটি ইডির তিন আধিকারিকের ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে। মামলাগুলিতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা ও ডিসি প্রিয়ব্রত রায়ের নাম উল্লেখ রয়েছে। সিবিআইকেও মামলার পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট নথিগুলি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ কাগজপত্র এবং সেগুলি তদন্তের আওতার মধ্যে পড়ে না। তাঁর দাবি, দলীয় স্বার্থ রক্ষার কারণেই তিনি সেগুলি সঙ্গে নিয়ে যান।
এই ইস্যু ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টে একাধিক মামলা বিচারাধীন। তবে হাই কোর্টে শুনানি ঝুলে থাকাকালীন সুপ্রিম কোর্টে ইডির পদক্ষেপে আইনি লড়াইয়ের পরিধি আরও বিস্তৃত হল। এখন শীর্ষ আদালতই ঠিক করবে—তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য এবং কার ভূমিকা কতদূর বিচারাধীন হতে পারে।


