(EXCLUSIVE)
নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজারহাট-নিউটাউনের মেয়ে। আর জি কর আন্দোলন থেকে চাকরি প্রার্থীদের জন্য পথে নামা। বারবার সরব হতে দেখা গেছে। কখনও নাগরিক মঞ্চে। কখনও রাজনৈতিক পতাকা হাতে তিনি এখন কংগ্রেসে। মাস কয়েক আগে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর থেকে দলের জন্য পথে নেমেছেন, চুটিয়ে কাজ করছেন। এবার কী তরুণ মহিলা মুখকে এলাকায় টিকিট দেবে কংগ্রেস? এই প্রশ্নের উত্তরে মুখ খোলেননি তুলিকা অধিকারী। মুচকি হেসেছেন।
শুরুটা ছিল ২০২১ সালে। সমাজকর্মী থেকে রাজনীতিতে। পশ্চিমবঙ্গে তখন বিধানসভা ভোট। আর ভোট কাটতে রাজ্যের ময়দানে কেজরির আম আদমি পার্টি। দিল্লির রাজপথ থেকে কলকাতার রাজপথে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর ছড়িয়ে বহুবার পথেও নেমেছে আপ। দলের একে একে নতুন মুখ। নতুনদের রাজনৈতিক লড়াই। তাঁদের অন্যতম তুলিকা অধিকারী। একুশের ভোটের আগে আম আদমি পার্টির উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি পদে। রাজ্যে লড়ছে আপ। তুলিকার মুখে হুংকার। অবাঙালি দলের প্রথম সারির নেত্রী। লড়াই চলল। কিন্তু বেশি বছর না। তাল কাটল আরজি কর কাণ্ডের পর। নির্যাতিত নিহত চিকিৎসকের বিচারের দাবি তুলতে গিয়ে। প্রতিবাদ করলেন তুলিকা। কিন্তু তাঁর দল যেন পিছিয়ে গেল। অনেকেই বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ডানা মেলতেই চায় না কেজরির দল।
বাংলা ছাড়া অন্য রাজ্যে তাঁরা ফোকাস করতে চায়। এর নেপথ্যে কি কেজরি-মমতা ভালো সম্পর্ক? তাহলে একুশে বিরোধিতা করে কি লাভ হল? এইসব প্রশ্ন নিয়েই ২০২৪ সালে আপ ছাড়েন তুলিকা। ১৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিধানভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির হাত থেকে তুলে নেন কংগ্রেসের পতাকা। কংগ্রেসের জাতীয় মহিলা সভানেত্রী অলোকা লাম্বার হাতে উত্তরীয় পরে কংগ্রেসে যোগদান করেন। এখন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা গ্রামীণ ২ মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী তুলিকা।
ইন্দিরার দল কংগ্রেস। তাঁর পরে আর আয়রন লেডি পায়নি দল। মহিলা প্রধানমন্ত্রী পায়নি দেশ। সেই দলের সদস্য তুলিকা। এবার কি টিকিট পাবেন?




