আর মাত্র কয়েকদিন, তারপরেই শুরু হবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। মহালয়ার সঙ্গেই শুরু হয়ে যাবে ভক্তি আর আনন্দের আবহ। শহর থেকে শহরতলি, সর্বত্রই তখন জনস্রোত। সেই ভিড়কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্য পুলিশ ইতিমধ্যেই বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে।
এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম জানিয়েছেন, মহালয়ার দিন থেকেই সারা রাজ্যে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত বাহিনী। জেলাভেদে ১০ থেকে ১৫ হাজার পুলিশ কর্মী রাস্তায় থাকবেন। সঙ্গে থাকবেন হোমগার্ড, এনসিসি সদস্য এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও। তাঁর কথায়, “যে জেলায় যেমন ধরনের পুজো হয়, তার ভিত্তিতেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। দুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত দীর্ঘ উৎসব মরশুমে পুলিশ সবসময় সতর্ক থাকবে।”
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শহরের ব্যস্ত মোড় থেকে শুরু করে গ্রামীণ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা— সর্বত্র নজর থাকবে ট্রাফিক পুলিশের। দর্শনার্থীদের যেন বিনা বিঘ্নে মণ্ডপে যাওয়া-আসা সম্ভব হয়, সেদিকেই জোর দিচ্ছে প্রশাসন।
এবার রানাঘাটের বেশ কিছু জনপ্রিয় পুজোকেও বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কল্যাণী আইটিআই মোড় কিংবা অভিযান সংঘের বিশাল প্রতিমা— এইসব জায়গায় ব্যাপক ভিড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আগে থেকেই নিরাপত্তা রূপরেখা তৈরি রেখেছে স্থানীয় পুলিশ।
সব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোতে নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবহণ নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য পুলিশ।


