হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার আতঙ্ক পেরিয়ে ইতিহাস গড়লেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। দেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি কেরলের শবরীমালা মন্দিরে পুজো দেন, এবং মন্দিরের সব নিয়ম-কানুন মেনে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ নিয়ে বহু বছর ধরে বিতর্ক চলছিল। রীতি অনুযায়ী ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী মহিলাদের মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই। তবে ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই রীতিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিল। তারপরও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই রায়কে ধর্মীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে দাবি করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে দেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতির মন্দির পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রাষ্ট্রপতির জন্য পাম্পা থেকে সন্নিধানম পর্যন্ত পাহাড়ি পথ পারাপারের জন্য বিশেষ চার-চাকা গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দ্রৌপদী মুর্মু নিজে মাথায় পবিত্র ইরুমুডিকেট্টু (দেবতার উদ্দেশে নিবেদিত পুজোর সামগ্রীর পোটলা) নিয়ে আয়াপ্পার দর্শন করেন। পরে সেই পবিত্র পোটলাগুলি মন্দিরের সিঁড়িতে রেখে দেন। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মেলশান্তি তা গ্রহণ করে পুজো সম্পন্ন করেন।
এর আগে ১৯৭০-এর দশকে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি শবরীমালায় পুজো দিতে গিয়েছিলেন। এবার দ্রৌপদী মুর্মু দেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই মন্দির পরিদর্শন করে ইতিহাস রচনা করলেন। বিজেপি এই সফরকে বিশেষভাবে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছে।


