মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei নিহত— এমন দাবিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার তেহরান লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের একটি শীর্ষ সরকারি সূত্র ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’-কে দাবি করে, ওই হামলাতেই খামেনির মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই দাবির পক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বলেছেন, “অনেক লক্ষণই দেখাচ্ছে খামেনি আর নেই।” তবে সরাসরি মৃত্যুর ঘোষণা দেননি তিনি। অন্যদিকে তেহরান সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে কথা বলছে। ইরানের সরকারি মহল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, খামেনি জীবিত এবং নিরাপদ স্থানে রয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে বলে খবর।
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল বলছে, এমন সংবেদনশীল ঘটনায় নিশ্চিত তথ্য ছাড়া কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক নয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের আবহে তথ্যযুদ্ধও সমান তালে চলছে। ফলে কোনটা সত্য, আর কোনটা কৌশলগত বার্তা— তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
এই মুহূর্তে খামেনির মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। ইসরায়েলের দাবি ও ইরানের অস্বীকার— এই দুই বিপরীত অবস্থানের মাঝেই বিশ্বরাজনীতি তাকিয়ে আছে পরবর্তী ঘোষণার দিকে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে, আর তার প্রভাব যে গোটা পশ্চিম এশিয়াজুড়ে পড়তে পারে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
খুন হলেন খামেনি???


