বুধবার ধর্মতলা মেট্রো চ্যানেল এলাকায় আইএসএফের বিক্ষোভ ঘিরে চরম অশান্তি তৈরি হয়। অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের কোনও অনুমতি ছাড়াই আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা হঠাৎ করে জড়ো হয়ে ধর্নামঞ্চ গড়ার চেষ্টা শুরু করেন। পুলিশ বাধা দিতেই উত্তেজনা চরমে ওঠে এবং আইএসএফ কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। ফলে গোটা এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।
ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি মাঝরাস্তায় বসে বিক্ষোভে শামিল হন। পরে তাঁকে আটক করে পুলিশ। নওশাদের অভিযোগ, তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছে পুলিশ, এমনকি ঘুষিও মারা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে পুলিশের ডিসি সেন্ট্রালের নেতৃত্বে বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে ধর্মতলা এলাকায়। অফিস টাইমে আচমকা এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষ মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়েন।
প্রসঙ্গত, যে কোনও সময় রাজ্যে চালু হতে পারে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধনী)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবং ওয়াকফ আইন বাতিলের দাবিতে আজ নওশাদ সিদ্দিকি বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন। অভিযোগ, এ জন্য কলকাতা পুলিশের কাছে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি। আচমকাই ধর্মতলায় মিছিল করে পৌঁছয় আইএসএফ কর্মীরা এবং ধর্নামঞ্চ গড়তে শুরু করে।
ফলে বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি ও অশান্তি। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বিশৃঙ্খলা।


