দুর্গা বিদায় নিয়েছেন। কালী আরাধনাও শেষ। কিন্তু বাংলার উৎসব-পঞ্জি এখনও থমথমে নয়। চন্দননগর, কৃষ্ণনগর–সহ গোটা রাজ্যে আজ মহাষ্টমীতে উজ্জ্বল জগদ্ধাত্রী পুজোর আবহ। বুধবার সকাল থেকেই ভক্তির ঢেউ। প্রতিমা দর্শনে ভিড়, ঢাক–ধুনুচির আবেশ, অসুরদলনীর বন্দনায় নিমগ্ন বাংলার জনজীবন।
এই শুভদিনেই এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লেখেন—
“সকলকে জানাই জগদ্ধাত্রী পুজোর আন্তরিক শুভেচ্ছা।”
সঙ্গে রাজ্যের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনার বার্তা।

প্রসঙ্গত, জগদ্ধাত্রী পুজো মূলত নবমীর দিনেই বিহিত পূজা হয়ে থাকে। সেই দিন সরকারি ছুটি পর্যন্ত থাকে। কিন্তু অষ্টমী থেকেই পুজোর আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। বিশেষ করে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো এখন আন্তর্জাতিক আকর্ষণ — আলোকসজ্জা, থিম ও শোভাযাত্রার জন্য ইতিমধ্যেই মন কেড়েছে দুনিয়ার।
মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর বার্তা —
“মা জগদ্ধাত্রী আমাদের সাহস ও করুণার সঙ্গে জীবনের পরীক্ষাগুলির মুখোমুখি হওয়ার শক্তি ও প্রজ্ঞা দিয়ে অনুপ্রাণিত করুন। তাঁর ঐশ্বরিক আশীর্বাদ প্রতিটি ঘরকে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং স্থায়ী সুখে ভরে তুলুক।”

একদিকে রাজনীতিক ব্যক্তিত্বদের বার্তা, অন্যদিকে লাখো মানুষের ভক্তি–উচ্ছ্বাস — সব মিলিয়ে বাংলার উৎসব-মরশুম এখনও তুঙ্গে। শোভাযাত্রা, কার্নিভাল, প্রতিযোগিতা — রাতভর চলবে দর্শনার্থীদের ঢল।


