বাংলার গর্ব কন্যাশ্রী। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৯৩ লক্ষের বেশি মেয়ে এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান, আগামী বছরে সেই সংখ্যা পৌঁছে যাক ১ কোটিতে। সেই মুহূর্তকে ঘিরে হবে বিশেষ উদ্যাপন।
জাতিসংঘ ফোরামের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্মৃতিমেদুর হয়ে বলেন, “সেদিন গর্বে আমার বুক ভরে গিয়েছিল। মেয়েরা কী না করতে পারে! শুধু পড়াশোনা নয়, তারা আজ নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে বড় হয়ে উঠেছে।” তিনি জানান, ২০১১ সালের পর এই প্রকল্প শুরু হওয়ার পর প্রাইমারি স্তরে মেয়েদের ড্রপআউট এখন শূন্য শতাংশ। সেকেন্ডারিতে তা ২.৯ শতাংশ এবং হায়ার সেকেন্ডারিতে ৩.১৭ শতাংশ। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “এটা কি গর্বের বিষয় নয়?”
নিজের ছোটবেলার কথা টেনে এনে তিনি বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পর গলার হার বিক্রি করে তবেই কলেজে ভর্তি হতে পেরেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি চান, বাংলার মেয়েদের যেন আর কখনও শিক্ষার জন্য কোনও ত্যাগ স্বীকার করতে না হয়।


