বিশ্ব প্রতিক্রিয়ার পর অবশেষে ভারতের শোকবার্তা, তারপরই ম্যাক্রোঁকে ফোন মোদির

Spread the love

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পর বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া দ্রুত এলেও ভারতের তরফে বার্তা আসতে কিছুটা সময় লেগে যায়। অবশেষে বৃহস্পতিবার শোকপ্রকাশ করে নয়াদিল্লি। আর সেই ঘোষণার পরই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-র সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মূলত পশ্চিম এশিয়ার ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠা পরিস্থিতি নিয়েই দুই নেতার আলোচনা হয়েছে।

সমাজমাধ্যমে মোদি জানান, সংঘাতের পথ নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। পশ্চিম এশিয়ায় দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। ফ্রান্সও শুরু থেকেই একই বার্তা দিয়ে এসেছে—যুদ্ধ থামিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার পথেই সমাধান খোঁজা দরকার।

গত শনিবার থেকে ইরানের উপর হামলা চালাতে শুরু করে আমেরিকা ও ইজরায়েল। রবিবার ভোরে মৃত্যু হয় খামেনেইয়ের। তার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। একাধিক দেশের রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও দিল্লির প্রতিক্রিয়া নিয়ে কূটনৈতিক মহলে কিছুটা প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

বুধবার পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। ভারত মহাসাগরে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করে আমেরিকা। সেই জাহাজটি ভারতের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে এসেছিল বলেই জানা যায়। ফলে ঘটনাটি নিয়ে নয়াদিল্লির অস্বস্তি বাড়ে।

এরপর বৃহস্পতিবার ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে শোক জানানো হলেও মার্কিন–ইজরায়েলি হামলার সরাসরি নিন্দা করেনি ভারত।

এদিনই ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-র সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। আলোচনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তবে ভারত মহাসাগরে ইরানি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের ঘটনায় তেহরানের ক্ষোভের প্রেক্ষিতে এই যোগাযোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *