২০২৬-এর বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে আগেভাগেই প্রচারের মোড়কে ঝাঁপাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। গত কয়েকদিনে টানা তিনবার বাংলায় সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মহালয়ার আগে ফের একবার বাংলায় আসতে চলেছেন তিনি। পুজোর সময় কলকাতায় মণ্ডপ উদ্বোধনের অজুহাতে হাজির হতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।
গতবারের নির্বাচনে ৭৭ আসন জিতেছিল বিজেপি। কিন্তু বিধায়কদের দলবদলের জেরে পদ্মশিবিরের শক্তি কমেছে। সেই ধাক্কা সামলে এবার নতুন করে আসন বাড়ানোর লড়াই শুরু করেছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ, রাজ্যের প্রতিটি সাংগঠনিক বিভাগে প্রধানমন্ত্রী মোদি অন্তত একটি করে জনসভা করবেন। ইতিমধ্যেই তিনটি সভা করেছেন তিনি। দলীয় সূত্রে খবর, মহালয়ার আগেরদিন অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর নবদ্বীপে ফের জনসভা করতে পারেন মোদি।
পুজোর পর আরও আক্রমণাত্মক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু জনসভাই নয়, মোদি ও শাহর একাধিক কৌশলগত বৈঠক হবে বাংলায়। বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব একসুরে জানাচ্ছে, এবার তৃণমূলকে টেক্কা দিতে ‘হাইভোল্টেজ ক্যাম্পেইন’ চলবে।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবারই দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি তিনটি মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। মেট্রোয় সফরও করেন পড়ুয়া ও পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে। পরে দমদমেই সভা করে রাজ্য সরকারকে একাধিক ইস্যুতে নিশানা করেন তিনি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, মোদি-শাহর বারবার সফর স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে ছাব্বিশের ভোটে বিজেপি বাংলা জয়ের জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চাইছে। তৃণমূলের ঘাঁটিতে নিজেদের শক্তি বিস্তারে গেরুয়া শিবির কোনও ফাঁক রাখতে রাজি নয়।


