*মহাজঙ্গলরাজ সরানোর বার্তা*
মহাজঙ্গলরাজ যাওয়া আর বিজেপির সুশাসন আসা খুব দরকারি। তাই বিদ্যাসাগরের রাস্তায় হাঁটতে হবে। উনি নারীশক্তি ও যুবশক্তিকে পরিবর্তনের মাধ্যম করেছিলেন। তৃণমূলের রাজে মেয়েরা সুরক্ষিত নয়। শিক্ষা ব্যবস্থাও মাফিয়া আর ভ্রষ্টাচারীদের কব্জায়। তাই মা-বোনেদের আরজি করছি, আপনাদের ছেলেমেয়েদের আসল শিক্ষা আর ভালো চাকরি পাবে না। যতক্ষণ তৃণমূল ক্ষমতায় থাকবে। তাই আপনাদের আসন্ন বিধানসভায় বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। আপনার ভোটে এখানে কলেজে ধর্ষণ, হিংসার ঘটনায় বাধ সাধবে। আপনার ভোটে সন্দেশখালি না হোক। আপনার একটা ভোট আবার বাংলায় হাজার শিক্ষক চাকরি না হারাক। তৃণমূলকে শিক্ষা দেওয়া জরুরি। ছোটো ছোটো টিএমসির নেতা বাংলার মা-বাপ ভাবছে। হুগলিটাকে তো এনারে শিক্ষক নিয়োগ ঘোটালার জন্য বদনাম করেছে। বিজেপি তাদের শিক্ষা দেবে। বাংলায় বিনিয়োগ তখনই হবে যখন আইনশৃঙ্খলা ঠিক হবে। মাফিয়া, দাঙ্গাবাজদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। আপনারাও জানেন এখানে সবকিছুতে সিন্ডিকেট ট্যাক্স আছে। এই মাফিয়ারাজকে বিজেপি সরকার খতম করবে। এটা মোদির গ্যারান্টি হ্যায়।
*অনুপ্রবেশকারী হুংকার*
তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের, দেশের সুরক্ষা নিয়ে খেলছে। তাই এখানকার তরুণদের সাবধান থাকতে হবে। তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ধরনা দেয়। মনে রাখবেন। তৃণমূলকে অনুপ্রবেশকারীরা পছন্দ। ওদের পাকা ভোটব্যাঙ্ক। অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে এরা যতদূর সম্ভব যেতে পারে। কেন্দ্র এই সরকারকে চিঠি দিচ্ছে। বর্ডারকে কাঁটাদার দিতে জমি চাইছে। কিন্তু এদের কিছু যায় আসে না। অনুপ্রবেশকারীদের জন্য নকল নথি বানায়। অনুপ্রবেশ আটকাতে হবে। যারা নকল কাগজ বানিয়ে এখানে মিশে আছেন। তাদের চিনে নিয়ে দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। এই কাজ কে করতে পারেন? – এই কাজ আপনার একটা ভোট করতে পারবে। বিজেপিকে দেওয়া আপনার একএকটা ভোট অনুপ্রবোশকারীদের ভাগাতে পারবে। আপনাদের সংকল্প নিতে হবে – পাল্টানো দরকার। তাই বিজেপি সরকার।


